গণতন্ত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিকদের স্বাধীনতা এবং অবাধে মত প্রকাশ। শনিবার ব্যুরো অব পুলিশ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (BPR&D)-এর ৫১তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে একথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "গণতন্ত্র আমাদের প্রকৃতিতে রয়েছে। এমন না যে ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হবার পর বা ১৯৫০ সালে সংবিধান কার্যকরী হবার পর গণতন্ত্র এসেছে। স্বাধীনতার পূর্বেও আমাদের চরিত্রের সাথে গণতন্ত্র ছিল এবং স্বাধীনতার পরেও আমরা সেই ধারা বহন করে চলেছি। এটাই আমাদের জনগণের প্রকৃতি। গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিষয় হলো নাগরিকদের স্বাধীনতা এবং অবাধে মত প্রকাশ।"
তিনি বলেন, "গণতন্ত্র মানে কেবল কোনো একটি দলকে ভোট দিয়ে সরকার গঠন করা নয়, এটা গোটা ব্যবস্থার একটা অংশ মাত্র। গণতন্ত্রের ফল হলো দেশের ১৩০ কোটি মানুষ তাঁদের নিজ নিজ ক্ষমতা এবং বুদ্ধি অনুযায়ী নিজেদেরকে বিকশিত করে এবং দেশ তার উন্নয়নে এই সুবিধাকে কাজে লাগায়।"
মন্ত্রী জোর গলায় বলেন, কোনো ব্যক্তির মত প্রকাশের স্বাধীনতা সরাসরি আইনশৃঙ্খলার সাথে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা কঠোর না হলে গণতন্ত্র সফলতা পায় না। তিনি বলেন, "এই কাজটিই পুলিশ করে, বাহিনী করে যারা আমাদের সীমানা পাহারা দেয়। সফল গণতন্ত্রে প্রতিটি ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিক যেন তাঁর আইনগত অধিকার নিরবচ্ছিন্নভাবে পেতে থাকেন। একজন নাগরিককে সংবিধান অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব পালন সম্পর্কে অবগত হতে হবে। তাই পুলিশ বাহিনীকে এই কাজে আরও আপগ্রেড করা এবং উন্নত করা BPR&D-র কাজ।"
কিছু কিছু সময় পুলিশের ভাবমূর্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কলঙ্কিত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, "আমি জানি না কেন পুলিশের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার জন্য প্রচারাভিযান চালানো হয়। কিছু ভুয়ো খবর তৈরি করে প্রচার করা হয়। ভালো ঘটনা ঘটলে তা জনপ্রিয়তা পায়না।"
মন্ত্রীর কথায়, পার্লামেন্ট, রাজ্য বিধানসভা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, সিএজি-র মতো অনেক সংগঠনই গণতন্ত্রকে সফল করে তুলেছে। কিন্তু গণতন্ত্রের সাফল্যের পিছনে সবথেকে বেশি প্রশংসার দাবি রাখে বিট কন্সটেবলরা।
স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন