পঞ্চায়েত প্রধান পদের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করেছেন আরেক তৃণমূল প্রার্থীই। যার অডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি পিপলস রিপোর্টার। যা নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে হুগলীর চণ্ডীতলা ২ পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতৃত্বের মধ্যে।
সম্প্রতি একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অডিও-র একপ্রান্তে রয়েছেন একটি মহিলা কণ্ঠ, যা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মমতা মালিকের বলে মনে করা হচ্ছে এবং অন্যপ্রান্তে আছেন তৃণমূলের চণ্ডীতলা ২ অঞ্চল সভাপতি সঞ্জয় মান্না। সঞ্জয় মান্না অডিও-র সত্যতা স্বীকার করেছেন।
ওই অডিওতে শোনা যায়, মমতা সঞ্জয় মান্নাকে বলছেন, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য শঙ্কর ঘোষ পঞ্চায়েত প্রধান করে দেওয়ার লোভ দেখাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রধান করে দেওয়ার জন্য ১-২ লাখ টাকা দাবি করেছেন শঙ্কর ঘোষ।
অঞ্চল সভাপতি সঞ্জয় মান্না বলেন, "গত ৭ অগাস্ট মমতার বাড়িতে যান দলের জয়ী জেলা পরিষদ সদস্য অর্পিতা কুণ্ডু হালদার এবং শঙ্কর ঘোষ। সেখানেই নাকি মমতার কাছে টাকা চাওয়া হয়। শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি জানাবো।"
তবে পঞ্চায়েত প্রধান পদের জন্য টাকা চাওয়ার অভিযোগ এই প্রথম নয়। সম্প্রতি মালদার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যাতে দেখা যায় কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের গয়েশবাড়ি অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি হাজী মীরাজুল বোসনি নিজের বাড়িতে বসে তৃণমূল প্রার্থীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিচ্ছেন। সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি পিপলস রিপোর্টার।
তৃণমূল প্রার্থীর স্বামী অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর স্ত্রীকে মীরাজুল বলেছিলেন, ১০ লক্ষ টাকা দিলে পঞ্চায়েতের প্রধান করে দেবেন। টাকার পরিমাণ কমানোর আবেদন করলেও তিনি রাজি হননি। এইভাবে তিন-চার জনের কাছ থেকে টাকা তুলেছেন তিনি বলে অভিযোগ। অভিষেক ব্যানার্জি ও মমতা ব্যানার্জির কাছে বিষয়টি জানানোও হয়েছিল। এই টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নেয় ওই তৃণমূল সভাপতির মেয়ে। তিনি বলেন, টাকা নিয়েছিল ঠিকই। কিন্তু পরে সবাইকে টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হয়।
স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে পিপলস রিপোর্টারের পাশে দাঁড়ান। পিপলস রিপোর্টার সাবস্ক্রাইব করতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন